সোফিয়া গার্ডেনে কখনো হারেনি বাংলাদেশ

এএনটিভি | মো:রিয়াজ গাজী, প্রকাশিত: ০৭. জুন. ২০১৯ , শুক্রবার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাঠটির অভিষেক কুড়ি বছর হলো। কিন্তু পৃথিবীর বুকে এই একটি মাঠ বাংলাদেশের কারণে বেশি পরিচিতি লাভ করেছে। বলা হচ্ছে কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনের কথা। ২০০৫ সালে যে মাঠে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়ে হারিয়েছিলো অস্ট্রেলিয়াকে। সেই মাঠে বাংলাদেশ খেলবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এই মাঠে এখনো পর্যন্ত অপরাজিত টাইগাররা। ছিমছাম গোছানো আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, ঠিক যেন শিল্পীর হাতে আঁকা নান্দনিক এক ছোট শহর। ক্রিকেট বিশ্বে কার্ডিফ একটু আলাদা করে পরিচিতি পেয়েছে, তাও আবার বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কারণে। কিভাবে? একটু ফ্ল্যাশব্যাকে যাওয়া যায়, ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আশরাফুলের সেঞ্চুরি উদযাপন। অতঃপর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল রূপকথার জন্ম দেয় কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে। পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর থেকেই ক্রিকেট বিশ্বে সোফিয়া গার্ডেনকে ভিন্ন ভাবে অনেকেই চিনেছেন জেনেছেন। ঠিক একযুগ পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হারতে থাকা বাংলাদেশ সাকিব-মাহমুদুল্লার ব্যাটিং বীরত্বে চ্যাম্পিয়ন ট্রফির সেমি-ফাইনালে উঠে। সেই গল্প বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিরল এক অর্জন। এমন সব অর্জনই প্রিয় উদ্যান কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন। তাই বাংলাদেশের ক্রিকেট রোমান্টিকদের কাছে প্রিয় মাঠ হয়েছে সোফিয়া গার্ডেন। এবার সোফিয়া গার্ডেনের বাস্তব চিত্রে ফেরা যাক। চার বছর আগে মাঠ সংস্কার করা হয়েছে। আগে আসন সংখ্যা ছিলো ৫ হাজার, আর এখন ১৫ হাজারেও বেশি। দৃষ্টি নন্দন এক স্টেডিয়াম কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন। একটি অ্যাসেস সহ তিনটি টেস্ট ২৬টি ওয়ানডে আর ৬টি টি-টুয়েন্টির আয়োজন করা হয়েছে এখানে। শ্রীলঙ্কা আফগানিস্তানের ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চেও অভিষেক হয়েছে সোফিয়া গার্ডেনের। বিশ্বকাপের আরো তিনটি ম্যাচ হবে কার্ডিফে। কিন্তু আলাদা করে গুরুত্ব পাবে বাংলাদেশ ও স্বাগতিক ইংল্যান্ডের ম্যাচটি। তবে কার্ডিফ বলেই বিজয়ের বাসনায় বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমীরা চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকবে প্রিয় সোফিয়া গার্ডেনে। বরাবরই দু’হাত ভরে দেয়ে থাকে েএ সোফিয়া গার্ডেন, এবার কি তবে পালা হট ফেভারিট ইংল্যান্ডের?