বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন গণতান্ত্রিক নেতা -রমেশ চন্দ্র সেন

এএনটিভি | নিউজ ডেস্ক, প্রকাশিত: ১৭. মার্চ. ২০১৯ , রবিবার

মোঃ ইসলাম,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোনো বিপ্লবী বা উগ্রবাদী নেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন গণতান্ত্রিক নেতা। তিনি গণতন্ত্রকে লালন করতেন এবং গণতন্ত্রকে দিয়েই আন্দোলন সংগ্রাম এগিয়ে নিয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন। রোববার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, স্বাধিকার আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তখন তাকে গ্রেফতার করা হল। পাকিস্তানিরা অপারেশন সার্চলাইটের নামে গণহত্যা চালালো। বঙ্গবন্ধুই একমাত্র নেতা যিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে স্বাধীনতার আন্দোলনে পরিণত করেছেন। আগামীতে আমরা মুজিব বর্ষ পালন করতে যাচ্ছি। সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। তিনি তো শুধু বলতে পারতেন ‘মুক্তি’ কিংবা ‘স্বাধীনতা’ কিন্তু তিনি দুটোই বলেছিলেন। কারণ দুটো আলাদা জিনিস। এর মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তিসহ সব ধরনের মুক্তি নিয়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম এজেন্ডা হচ্ছে দুর্নীতি নির্মূল করা। কারণ দুর্নীতি নির্মূল না হলে একটি দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন স্থিতিশীল হয় না। বিষয়টি বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালেই বুঝেছিলেন। তাই তিনি তখন বলেছিলেন, পাকিস্তান সব নিয়ে গেছে। কিন্তু আমার দুর্নীতিবাজদের নিয়ে যায়নি- এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। রমেশ সেন বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অনেক এগিয়েছে। যারা বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুঁড়ি বলেছিলেন তারা আজ ভুল স্বীকার করছেন। বাংলাদেশের উন্নয়নকে তারা বিশ্বের রোল মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে অনুসরণ করে শিশু-কিশোরদের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক চেতনায় শিক্ষিত করতে হবে। তাহলেই আমরা ভবিষ্যতের সোনার বাংলা গড়তে পারব। শৈশবের আনন্দ ফিরিয়ে দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার কঠোরতা কমাতে হবে। তাদেরকে আদর এবং ভালোবাসা দিয়ে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মনিরা জেসমিন মিষ্টির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ড.কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান মনির, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহা: সাদেক কুরাইশী, শিক্ষাবীদ মনতোষ কুমার দেন, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী প্রমুখ।