পটুয়াখালীর কলাপাড়া আওয়ামীলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি নিয়ে অসন্তোষ

এএনটিভি | নিউজ ডেস্ক, প্রকাশিত: ২০. সেপ্টেম্বর. ২০১৯ , শুক্রবার

শহিদুল আলম,পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হলেও দলের হাই কমান্ডের কাছে এটি গ্রহনযোগ্য না হওয়ায় এর কোন কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না। দলের স্থানীয় সূত্র বলছে কেন্দ্রীয় আ’লীগ কিংবা জেলা আ’লীগের কোন রকম নির্দেশনা ছাড়াই সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে দলের জেলা কিংবা বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা নেতৃবৃন্দ অসন্তোষ প্রকাশ করায় কার্যত এটি অচল হয়ে পড়েছে। এছাড়া সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিতে রাখা হয়নি দলের বর্তমান সভাপতি সাবেক সাংসদ মো: মাহবুবুর রহমানকে। এতে শুরুতেই দলীয় বিভাজন প্রকাশ হয়ে পড়ায় এ কমিটি স্বচ্ছতা হারিয়েছে বলেও মনে করছেন দলের একাধিক নেতা-কর্মী। জানা যায়, স্থানীয় সাংসদ অধ্যক্ষ মো: মহিব্বুর রহমানের দিক নির্দেশনায় ২রা সেপ্টেম্বর সোমবার দলের স্থানীয় কার্যালয়ে এক বিশেষ জরুরি সভায় ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়। এতে আহ্বায়ক করা হয় স্থানীয় সাংসদকে। কমিটির অন্যান্যরা হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও দলের বর্তমান সম্পাদক এসএম রাকিবুল আহসান, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মোতালেব তালুকদার, আলহাজ সুলতান মাহমুদ, ড. শহীদুল ইসলাম বিশ^াস, অধ্যক্ষ সৈয়দ নাসির উদ্দিন, কলাপাড়া পৌরসভার মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, অধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার রেখা, আঃ মালেক আকন, উপাধ্যক্ষ শহীদুল আলম, অধ্যাপক মঞ্জুরুল আলম, মো. মঞ্জুরুল ইসলাম ও প্রভাষক ইউসুফ আলী। এ কমিটি থেকে সাবেক সাংসদ ও বর্তমান সভাপতি মাহবুবুর রহমান বাদ পড়লেও তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু সহ দুই অনুসারীর নাম রয়েছে। সম্মেলন প্রস্তুতি এ কমিটি নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেল থেকে তেমন সাড়া না পাওয়ায় কার্যত এটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তবে দলের সূত্র মতে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর জেলায় বিশেষ সভা রয়েছে। ওই সভায় দলের উপজেলা কমিটি গঠন সংক্রান্ত এজেন্ড থাকছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে ওই সভায় দলের উপজেলা সহ তৃনমূলের কমিটি গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছে সূত্রটি। এদিকে ২০১৩ সালে কলাপাড়া উপজেলা আ’লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাবেক সাংসদ মো: মাহবুবুর রহমান সভাপতি ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এসএম রাকিবুল আহসানকে সম্পাদক করে ৬৭ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা আ’লীগের কমিটি গঠিত হয়, যা এখনও বহাল রয়েছে। এরপর সহযোগী সংগঠন গুলোর কমিটিও গঠন করা হয় তার অনুসারী নেতা-কর্মী, ক্যাডার ও আত্মীয়দের নিয়ে, যা এখনও বহাল রয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন বি ত হয়ে স্থানীয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রন হারান মাহবুবু। ফলে দল ও সহযোগী সংগঠনের আগামী কমিটি গুলো থেকে ক্রমশ: বাদ পড়তে পারেন তার অনুসারী নেতা-কর্মী, ক্যাডার, ভাই, ভাগ্নে, ভাগ্নে জামাই সহ দীর্ঘ ১০ বছরের সুবিধাভোগী প্রভাষক ঠিকাদার নাতি জামাই লাল বাচ্চুরা