লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আদায় ১কোটি ৯৯লাখ ২৩হাজার টাকা

এএনটিভি | নিউজ ডেস্ক, প্রকাশিত: ০৪. মার্চ. ২০১৯ , সোমবার

মোহাম্মদ আমিন, টেকনাফ(কক্সবাজার)প্রতিনিধি : বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিনের সীমান্ত শহর টেকনাফে বাণিজ্যে খাতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ১৭কোটি ৪৬লাখ ২৩হাজার টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছে ১কোটি ৯৯লাখ ২৩হাজার টাকা। রাজস্ব আদায়ও বৃদ্ধি পেয়েছে মায়ানমার পণ্য আমদানি স্বাভাবিক থাকায় বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। টেকনাফ শুল্ক ষ্টেশন সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ৩২০টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৭কোটি ৪৬লাখ ২৩হাজার টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই শুল্ক ষ্টেশনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক এই মাসে ১৫কোটি ৪৭লাখ টাকা মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১কোটি ৯৯লাখ ২৩হাজার টাকা বেশি আদায় হয়েছে। এতে মায়ানমার থেকে পণ্য আমদানি করা হয় ৪৪কোটি ৯৩লাখ ৬৪হাজার টাকার। অপরদিকে ৪৬টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে ১ কোটি ৫১লাখ ৮০ হাজার টাকার পণ্য মায়ানমারে রপ্তানি করা হয়েছে। এছাড়া শাহপরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে ১হাজার ৯৬০টি গরু, ৮৫১টি মহিষ আমদানি করা হয়েছে। এতে ১৪লাখ সাড়ে ৫হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয় বলেও জানায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে মায়ানমার থেকে পণ্য আমদানি স্বাভাবিক থাকায় রাজস্ব আদায়ও অনেক ভাল হয়েছে। তবে পণ্য আমদানি এভাবে থাকলে সীমান্ত বাণিজ্য ব্যবসায় আরো গতি বাড়বে বলে জানালেন বাণিজ্য ব্যবসায়ীরা। টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা শংকর কুমার দাশ বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসে মায়ানমার থেকে পণ্য আমদানি স্বাভাবিক থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আদায়ও বেশি হয়েছে। গত মাসে যেসব পণ্য আমদানি হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শুটকী, আঁচার, হিমায়িত মাছ, চাউল, কাঠ, বরই, তেতুল ও আদা। অপরদিকে রপ্তানীপণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল চুল, গেঞ্জি, এলোমুনিয়াম ও স্যানিটারী সামগ্রী। তিনি আরো বলেন, তবে সীমান্ত বাণিজ্যে চলমান অবস্থা বিরাজমান থাকলে রাজস্ব আদায়ও আরো বৃদ্ধি পাবে। সীমান্ত বাণিজ্যকে আরো গতিশীল করতে তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।