ফকিরহাটে ঠিকাদারের অনিয়মে খাল খনন

এএনটিভি | নিউজ ডেস্ক, প্রকাশিত: ১৬. মার্চ. ২০১৯ , শনিবার

ষ্টাফ রিপোর্টার।খুলনা।
বাগেরহাট জেলার অভ্যন্তরে ছোট নদী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ফকিরহাটের ভৈরব নদীর পার্শ্ব খাল  ফকিরহাট বাজার,  আট্রাকীর অংশ খননের বিষয়ে নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অনিয়মের ভিতর প্রধান এবং প্রথম ফকিরহাটে প্রধান সড়ক যেখান দিয়ে সাবেক বাগেরহাট, খুলনা টু ঢাকা পরিবহন চলাচল করতো ।বর্তমানে  ডাকবাংলার মোড় থেকে কাঠাল তলার মোড়ে যেতে যে সদর রোড টি সেখানে ৯০ দশকের দিকে যখন এই রোডটি তৈরি হয়,তখন-বর্তমানে যেখানে পানি সরানোর জন্য যে কালবেটটি আছে ওইখানে বড় তিনটে ঢালাই পুল দেওয়া হয়েছিল। সেই পুল গুলো অবৈধভাবে বন্ধ করে, অবৈধ ঘর বিল্ডিং তৈরি করে বন্ধ করা হয়।  তারপর রোড্স এন্ড হাইওয়ে  যে তিনটি পুল দিয়েছিল সেখান থেকে কালবেট তৈরি না করে ,পুল তিনটি বাদ দিয়ে নতুন কালবেট তৈরি করা হয়।যখন নতুন কালবেট তৈরি করতে আসে ,তখনও ক্ষমতার জোরে চলমান খালের পুল বের করতে দেওয়া হয়নি।এখন এলাকার সাধারণ নিরিহ মানুষের মনে প্রশ্ন- বর্তমান উন্নয়ন শীল সরকারের আমলে এসে কেন সত্যি টা বেরিয়ে আসবে না? বর্তমান চলমান খাল যে প্রক্রিয়া চলছে সেখানে প্রমাণস্বরূপ রোডস এন্ড হাইওয়ে যে তিনটি পুল দিয়েছিল তা এখনও বিদ‍্যমান আছে।পুল তিনটির মুখে দশ ইঞ্চি ইটের গাতনি দিয়ে বন্দ করা আছে। বড় যে তিনটে ফুল দেওয়া ছিল তাকে ভ্রুক্ষেপ না করে,সত‍্যিকারের চলমান কালকে তোয়াক্কা না করে, সেখানে অনিয়ম ভাবে কিছু প্রভাবশালী কে বাঁচানোর জন্য বর্তমান যে কালবেট আছে তার থেকে ঠিকাদার স্থানীয় খাল খননের কমিটি সাহায্যে মাপ দিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির উপক্রম করছে। কিন্তু মূল যে ঢালাই তিনটি পুল  দেওয়া হয়েছিল।সে গুলা তোয়াক্কা না করে ,সচল জিনিসকে অচল করে,  সচল খালকে অচল করে ,সেখানে দশ  ইঞ্চি ইটের গাঁথুনি দিয়ে বন্ধ করে অবৈধভাবে খালের উপর স্থাপনা তৈরি করে ।এই অনিয়মের বিরুদ্ধে সাধারণ নিরীহ জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করছে। কিন্তু এগুলো স্থানীয় প্রভাবশালীদের বাচানোর জন্য ঠিকাদার বুদ্ধি খাটিয়ে খাল খনন কমিটির যারা আছে ,তাদের মাধ‍্যমে সাধারণ মানুষের কথা কানে না নিয়ে কিছু প্রভাবশালীদের কথায়-  সত্তিকারের চলমান খাল না বেরিয়ে, বর্তমান ছোট কালবেট কে সিমানা করে ,মূল খাল ছাড়া খালের দু-পাশে দশ ফুট করে বাড়তি জমি বা জায়গা নেওয়াতে অনেক নিরিহ সাধারণ মানুষ বিশাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।  কিন্তু যারা খালের উপর অবৈধ স্থাপনা তৈরি করেছিল, তারা অনেকেই বেঁচে যাচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতি কম হচ্ছে। নিরীহ সাধারণ মানুষের কোন কথায় কেউ কান দিচ্ছে না। কথা বলতে গেলে ধামকি দিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দ্বিতীয় অনিয়ম নিরীহ সাধারণ মানুষের অনেক ফলজ গাছ পৈত্রিক সম্পত্তি বাড়ি ঘর ভেঙ্গে বৈধ যেখানে খাল ছিল সেটা না কেটে অপরকে বাঁচানোর জন্য ঠিকাদারদের কিছু সার্থের জন্য  নিরীহ সাধারণ মানুষের এর পৈতৃক সম্পত্তির উপর নির্বিচারে অনিয়ম করে খাল খনন করা যাচ্ছে। এ বিষয়ে নিরীহ সাধারণ যে মানুষগুলো হায় হুতাশ করে কাঁদছে কিন্তু কাউকে বলতে পারছে না। কাউকে বললে, সে কথা কানে নিচ্ছে না। কেউ শুনতে চাচ্ছে না ।এখানে খাল খননের নিয়ম অনুযায়ী মূলখাল বের করে ঠিকাদারের প্লাগিন করা উচিত ছিল। সেখানে প্লাগিন না করে এখানকার কিছু প্রভাবশালীদের সহযোগিতা নিয়ে ইচ্ছা মত যখন যেখানে মন চাচ্ছে তখন সেখানে খনন করছে ।তাই প্রশাসনের দৃষ্টি বিশেষভাবে আকর্ষণ করছে এখানকার সাধারণ নিরীহ জনগণ ।খাল খনন হচ্ছে। খাল খনন হবে। খাল খননে অনেক প্রত্যাশী এখানকার আপামর জনসাধারণ। সবাই চায় খাল খনন হোক। কিন্তু সঠিক নিয়মের ভিতরে খাল খনন করা হোক। সবাই আশা করছে প্রশাসন বিষয়টি ভ্রুক্ষেপ করবে এবং দৃষ্টি দিবেন।