মেধা বিকাশে প্রয়োজন সরকারি বে-সরকারিসহ বিত্তবানের সার্বিক সহায়তা পটুয়াখালীর দু’ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সহোদর কবিতা রোমান্টিক গল্পসহ অসংখ্য গান লিখে আলোচিত

ANTV > বরিশাল > মেধা বিকাশে প্রয়োজন সরকারি বে-সরকারিসহ বিত্তবানের সার্বিক সহায়তা পটুয়াখালীর দু’ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সহোদর কবিতা রোমান্টিক গল্পসহ অসংখ্য গান লিখে আলোচিত
মেধা বিকাশে প্রয়োজন সরকারি বে-সরকারিসহ বিত্তবানের  সার্বিক সহায়তা  পটুয়াখালীর দু’ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী  সহোদর কবিতা  রোমান্টিক গল্পসহ অসংখ্য গান লিখে  আলোচিত

প্রতিবন্ধীর পুর্ন:বাসন আর জীবন মান উন্নয়নে নানা প্রকল্প হাতে নিয়েছেন সরকার।
দেশব্যাপী এর বেশ প্রভাব পড়লেও সুবিধা বঞ্চিত রয়েছেন পটুয়াখালীর দু’ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী
সহোদর। যারা কবিতা, রোমান্টিক গল্পসহ অসংখ্য গান লিখে আলোচিত হয়েছেন। তবে প্রতিভা
থাকলেও রয়েছে দারুন অর্থ দৈন্যতা আর সার্বিক সহায়তা। এ জন্য সারাক্ষন তাদের মনে ভর করে
নানা কষ্ট। তাদের লেখাগুলো বই আকারে প্রকাশের স্বপ্ন তাদের।
পটুয়াখালী শহরের দক্ষিন সবুজবাগ এলাকায় সর্বজনপ্রিয় প্রতিবন্ধী দুই ভাই মো. শরিফ উদ্দিন
আবি আবদুল্লাহ নাসিম ও ছোট ভাই কামরুল আহসান জিলানী । বাবা দলিল লেখক নুরুল
ইসলাম। যিনি ৬ বছর আগে মারা গেছেন। তবে বেচেঁ আছেন বৃদ্ধা মা সাফিয়া খাতুন। চার
ভাই ও দুই বোনের মধ্যে নাসিম ও জিলানী জন্ম থেকেই শারিরিক প্রতিবন্ধী। স্বাভাবিক
চলাফেরায় অক্ষম এই দুই ভাইর হুইল চেয়ারই প্রধান ভরসা। তার সাথে রয়েছে নাসিমের চোখে কম
দেখার সমস্যা। তাদের অদম্য ইচ্ছার কাছে হার মেনেছে শারিরিক প্রতিকুলতা।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মো. শরিফ উদ্দিন আবি আবদুল্লাহ নাসিম জানান, প্রথম রেডিওতে বিশ্ব
কবি রবীন্দ্র নাথের একটি কবিতা শুনে লেখার আগ্রহ জাগে নাসিমের। এমন এক প্রতিভার
অধিকারী প্রতিবন্ধী কবি নাসিম এ পর্যন্ত ৪ হাজার কবিতা, গল্প, গান লিখে সাড়া ফেলেছেন।
যার কিছু স্থাণীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তবে রয়েছে অর্থ দৈন্যতা আর সার্বিক
সহযোগিতা। তারপরও স্বপ্ন দেখছেন লেখা গুলো বই আকারে প্রকাশিত হওয়ার।
ছোট ভাই কামরুল আহসান জিলানী সাংবাদিকদের জানান, কোন কাজ নেই আমাদের।
বেশিরভাগ সময় অলস কাটাতে হয়। বড় ভাই নাসিমের সাহিত্য চর্চা দেখে আমারও আগ্রহ
যাগে। তাকে উৎসাহ ও অনুপ্রেরনা দিচ্ছেন বড় ভাই। তিনি বলেন, মেধা বিকাশে প্রতিবন্ধীরাও
সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
মা মোসা: সাফিয়া খাতুন জানান, স্বামী মারা যাবার এখন পর অসহায় আমার পরিবারটি।
প্রতিবন্ধী দুই মেধাবী ছেলেকে নিয়ে বেশ চিন্তিত ও হতাশ তিনি। নি:স্বাস আর চোখের
জলে জানালেন অসহায়ত্বের কথা। তারপরও স্বপ্ন দেখেন ছেলেদের মত।

প্রতিবেশি সাংস্কৃতিক নেতা মো: দেলোয়ার হোসেন জানান, একটু সহযোগিতা পেলে
সমাজের সুবিধা বঞ্চিত প্রতিবন্ধীরাও দেশের জন্য অবদান রাখতে পারে বলে মনে করেন শুসীল
সমাজের এই প্রতিনিধি।
মেধার বিকাশের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরাও পারে তাদের অসহায়ত্ব ভুলে সমাজ ও দেশের জন্য অবদান
রাখতে, এ ক্ষেত্রে পাবেন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সহায়তা । এমনটাই আশা করছেন
প্রতিবন্ধি নাসিম ও তার পরিবার।

Leave a Reply